School College Management System

Loading...

Digital Book

School College Management System

Loading...

ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) বলতে কী বোঝ?

এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ডেটা কমিউনিকেশন ও কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: ক্লাউড কম্পিউটিং

ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing): ইন্টারনেট-নির্ভর কম্পিউটিং হচ্ছে ক্লাউড কিম্পিউটিং। ক্লাউড কোনো নির্দিষ্ট প্রযুক্তি নয়, বরং এটা একটা ব্যবসায়িক মডেল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST- National Institute of Standard and Testing) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর সংজ্ঞা নিম্নরূপ-

ক্লাউড কম্পিউটিং হল ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability): ক্রেতা যতো চাবে, সেবাদাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড সেবা (One-Demand Service): ক্রেতা যখন চাবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছেমত যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে-কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-As-You-Go): ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, তার জন্যই কেবল পয়সা দেবে।

তাহলে এক বাক্যে বলা যায়-
কম্পিউটার ও ডেটা স্টোরেজ, ক্রেতার সুবিধামতো চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেবার সিস্টেমই হল ক্লাউড কম্পিউটিং।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস (History of Cloud Computing): ১৯৬০ সালে জন ম্যাক ক্যার্থি (Jon Mac Karthy) ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে মতামত দেন এভাবে, ‘‘কম্পিউটেশন একদিন সংগঠিত হবে পাবলিক ইউটিলিটি হিসেবে।’’ তবে প্রকৃতপক্ষে এ ধারণা ভিত্তি লাভ করেছে ১৯৯০ সালের দিকে। নব্বই এর দশকের শেষে বড় বড় কোম্পানিরা ইন্টারনেটে ব্যবসার আশায় বিশাল বিনিয়োগ করে ডেটা সেন্টর আর নেটওয়ার্কে। ২০০০ সালে নাগাদ হঠাৎ করে পুরা ব্যবসাটাই ধ্বসে যায়, ফলে অনেকে দেউলিয়া হয়ে পড়ে। তাদের ডেটা সেন্টারের মাত্র ৫% এর মতো ব্যবহৃত হচ্ছিল এবং বাকিটা সময়ে সিস্টেম অলস হয়ে বসে থাকতো। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া দিয়ে অলস বসে থাকা কম্পিউটারগুলোকে কাজে লাগানোর বুদ্ধি থেকেই শুরু হয় ক্লাউড কম্পিউটিং যুগের। ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম (amzon.com) ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 শুরু করে। এর পর পেছনে তাকাতে হয়নি ক্লাউড কম্পিউটিংকে। আইবিএম, মাইক্রোসফট, গুগল থেকে শুরু করে প্রচুর কোম্পানি এখন ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবসার সাথে জড়িত।

ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে ৩ (তিন) ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service- IaaS বা অবকাঠামোগত সেবা,
২. Platform-as-a-Service- PaaS বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা এবং
৩. Software-as-a-Service- SaaS বা সফটওয়্যার সেবা।

১. IaaS- Infrastructure-as-a-Service (অবকাঠামোগত সেবা): অবকাঠামো ভাড়া দেয়ার সার্ভিস। যেমন, আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এর উদাহরণ। EC2তে ডেটা সেন্টারের প্রতি সার্ভারে ১ থেকে ৮টি ভার্চুয়াল মেশিন চলে, ক্লায়েন্টরা এগুলো ভাড়া নেন। ভার্চুয়াল মেশিনে নিজের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম বসানো চলে।

২. PaaS- Platform-as-a-Service (প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা): এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপরে এপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা। যেমন, গুগলের অ্যাপ-ইঞ্জিন এর উদাহরণ। এ সার্ভিস ব্যবহার করলে গুগল তাদের এপিআই (API) ব্যবহার করতে দেবে, সেটার সুবিধায় অ্যাপ্লিকেশন বানাতে পারবে। এ অ্যাপ্লিকেশন চলবে গুগলের ক্লাউডে।

৩. SaaS- Software-as-a-Service (সফটওয়্যার সেবা): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হল ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজারেরা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে। যেমন, গুগল ডস দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই করা যায়।
Author
Date
23-01-2026

Store

: 0   : 0   : 129     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ১ম অধ্যায় | ডাটা
: 0   : 0   : 156     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ৩য় অধ্যায় | সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর
: 0   : 0   : 188     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ১ম অধ্যায় | ডাটা
: 0   : 0   : 134     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ১ম অধ্যায় | ডাটা
: 0   : 0   : 135     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ২য় অধ্যায় | ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম
: 0   : 0   : 131     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ৩য় অধ্যায় | সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক ধারণা
: 0   : 0   : 120     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ৩য় অধ্যায় | বাইনারি সংখ্যার যোগ-বিয়োগ
: 0   : 0   : 136     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ১ম অধ্যায় | রোবট
: 0   : 0   : 120     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ২য় অধ্যায় | কমিউনিকেশন গতি
: 0   : 0   : 110     এইচএসসি | তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | ৩য় অধ্যায় | ফ্লিপ-ফ্লপ এবং রেজিস্টার

ডিজিটাল স্কুল কলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম- এসসিএমএস দেশের সর্বাধুনিক পূর্ণাঙ্গ স্মার্ট স্কুল কলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে এবং আপনার প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্ববাসীর কাছে আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করতে এসসিএমএস পরিবারের একজন গর্বিত সদস্য হোন। বিদ্যার্থীগণ এসসিএমএস এর বিশাল তথ্য ভাণ্ডার থেকে ব্লগ, বড় প্রশ্ন, ছোট প্রশ্ন, বহুনির্বাচনী প্রশ্ন, উপকরণ, ডিজিটাল বই, ইলেক্ট্রনিক্স বই, গান, কবিতা, রচনা, ছড়াসহ বিভিন্ন বিষয়ের অধ্যয়ন করতে পারবে। বিদ্যার্থীগণ এসসিএমএস এর তথ্য ভাণ্ডার ব্যবহার করে নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হবে সেই প্রত্যাশা এবং শুভকামনা রাখি।

Copyright 2026 School College Management System All Right Reserved. | Developed by Sabyasachi Bairagi