ওএসআই মডেল (OSI Model) এর বিভিন্ন স্তরের বর্ণনা দাও।
১. ফিজিক্যাল লেয়ার (Physical Layer),
২. ডাটা লিংক লেয়ার (Data Link Layer),
৩. নেটওয়ার্ক লেয়ার (Network Layer),
৪. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার (Transport Layer),
৫. সেশন রেয়ার (Session Layer),
৬. প্রেজেন্টেশন লেয়ার (Presentation Layer) এবং
৭. এপ্লিকেশন লেয়ার (Application Layer)।
১. ফিজিক্যাল লেয়ার (Physical Layer): ডাটা প্রেরণের জন্য যন্ত্রপাতি, মাধ্যমের যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য কেমন হবে এবং ডেটা বিট আকারে প্রেরণ নীতির বাহ্যিক স্তরই সংজ্ঞায়িত করে।
২. ডাটা লিংক লেয়ার (Data Link Layer): প্রেরক যন্ত্রে নেটওয়ার্ক লেয়ার হতে ডাটা গ্রহণ করে বাহ্যিক স্তরে সরবরাহ করা এবং গ্রাহক যন্ত্রে বাহ্যিক স্তর হতে ডাটা গ্রহণ করে নেটওয়ার্ক স্তরে সরবরাহ করা ইন্টারফেস সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত।
৩. নেটওয়ার্ক লেয়ার (Network Layer): প্রেরক স্টেশন থেকে গ্রাহক স্টেশনে ডাটা প্রেরণের জন্য নেটওয়ার্কের এড্রেসের প্রয়োজন হয়। এ এড্রেসের সাহায্যে নেটওয়ার্কের ভিতর দিয়ে কোন পথে ডাটা প্রবাহিত হয় তা নেটওয়ার্ক স্তর নির্ধারণ করে।
৪. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার (Transport Layer): প্রেরক প্রান্ত হতে প্রাপক প্রান্তে ট্রান্সপোর্ট স্তর এনটিটি এর সাহায্যে ডাটা স্থানান্তর করা হয়।
৫. সেশন লেয়ার (Session Layer): সংযোগ স্থাপন করে তথ্য বিনিময়ের জন্য কাজ করাকে সেশন (Session) বলা হয়।
৬. প্রেজেন্টেশন লেয়ার (Presentation Layer): কোন কোন কম্পিউটার ASCII কোড বা ইউনিকোড (Unicode) ব্যবহার করে। নেটওয়ার্কে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি কোড ব্যবহার করা হয়। প্রেজেন্টেশন স্তর কম্পিউটার নেটওয়ার্কের কোডকে পরিবর্তন করে মেশিনের নিজস্ব কোডে পরিবর্তন করে।
৭. এপ্লিকেশন লেয়ার (Application Layer): নেটওয়ার্কে সংযুক্ত অনেক কম্পিউটার রয়েছে যার একটির সাথে অপরটির সামঞ্জস্য নেই। এ অবস্থায় প্রত্যেকটি মেশিন পরস্পরের সাথে সঠিকভাবে কাজ করতে হলে প্রত্যেকটি মেশিনকে নেটওয়ার্ক ভার্চুয়াল টার্মিনালে সংজ্ঞায়িত করে এবং তা আবার প্রকৃত টার্মিনালে রূপান্তর করার কাজ করে এপ্লিকেশন লেয়ার।
২. ডাটা লিংক লেয়ার (Data Link Layer),
৩. নেটওয়ার্ক লেয়ার (Network Layer),
৪. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার (Transport Layer),
৫. সেশন রেয়ার (Session Layer),
৬. প্রেজেন্টেশন লেয়ার (Presentation Layer) এবং
৭. এপ্লিকেশন লেয়ার (Application Layer)।
১. ফিজিক্যাল লেয়ার (Physical Layer): ডাটা প্রেরণের জন্য যন্ত্রপাতি, মাধ্যমের যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য কেমন হবে এবং ডেটা বিট আকারে প্রেরণ নীতির বাহ্যিক স্তরই সংজ্ঞায়িত করে।
২. ডাটা লিংক লেয়ার (Data Link Layer): প্রেরক যন্ত্রে নেটওয়ার্ক লেয়ার হতে ডাটা গ্রহণ করে বাহ্যিক স্তরে সরবরাহ করা এবং গ্রাহক যন্ত্রে বাহ্যিক স্তর হতে ডাটা গ্রহণ করে নেটওয়ার্ক স্তরে সরবরাহ করা ইন্টারফেস সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত।
৩. নেটওয়ার্ক লেয়ার (Network Layer): প্রেরক স্টেশন থেকে গ্রাহক স্টেশনে ডাটা প্রেরণের জন্য নেটওয়ার্কের এড্রেসের প্রয়োজন হয়। এ এড্রেসের সাহায্যে নেটওয়ার্কের ভিতর দিয়ে কোন পথে ডাটা প্রবাহিত হয় তা নেটওয়ার্ক স্তর নির্ধারণ করে।
৪. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার (Transport Layer): প্রেরক প্রান্ত হতে প্রাপক প্রান্তে ট্রান্সপোর্ট স্তর এনটিটি এর সাহায্যে ডাটা স্থানান্তর করা হয়।
৫. সেশন লেয়ার (Session Layer): সংযোগ স্থাপন করে তথ্য বিনিময়ের জন্য কাজ করাকে সেশন (Session) বলা হয়।
৬. প্রেজেন্টেশন লেয়ার (Presentation Layer): কোন কোন কম্পিউটার ASCII কোড বা ইউনিকোড (Unicode) ব্যবহার করে। নেটওয়ার্কে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি কোড ব্যবহার করা হয়। প্রেজেন্টেশন স্তর কম্পিউটার নেটওয়ার্কের কোডকে পরিবর্তন করে মেশিনের নিজস্ব কোডে পরিবর্তন করে।
৭. এপ্লিকেশন লেয়ার (Application Layer): নেটওয়ার্কে সংযুক্ত অনেক কম্পিউটার রয়েছে যার একটির সাথে অপরটির সামঞ্জস্য নেই। এ অবস্থায় প্রত্যেকটি মেশিন পরস্পরের সাথে সঠিকভাবে কাজ করতে হলে প্রত্যেকটি মেশিনকে নেটওয়ার্ক ভার্চুয়াল টার্মিনালে সংজ্ঞায়িত করে এবং তা আবার প্রকৃত টার্মিনালে রূপান্তর করার কাজ করে এপ্লিকেশন লেয়ার।
Written by
Editorial Team
•
06 Mar, 2026