ভৌগলিক বিস্তৃতি অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
ভৌগলিক বিস্তৃতি অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত ৫ (পাঁচ) ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network- PAN),
২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network- LAN),
৩. ক্যাম্পাসএরিয়ানেটওয়ার্ক (Campus Area Network- CAN),
৪. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network- MAN) এবং
৫. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network- WAN)।
১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network- PAN): যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে তাকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে। প্যানের ব্যপ্তি সাধারণত ১০-২০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network- LAN): সাধারণত একই ভবনে বা পাশাপাশি ভবনে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।ল্যানেরব্যপ্তি সাধারণত ১০০-২০০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের ভিত্তিতে Local Area Network- LANকে প্রধানত ২ (দুই) প্রকার। যথা-
ক. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network) এবং
খ. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
ক. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network): এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়। এ
ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি’র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
সার্ভার কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন এপ্লিকেশন চালনা এবং নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। এ মডেলে একটি কম্পিউটারে থাকবে রিসোর্স (যাকে বলে Server কম্পিউটার), আর নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটার (যাকে বলে Client কম্পিউটার) সেসব রিসোর্স ব্যবহার করবে।
খ. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network): এ প্রকারের নেটওয়ার্কে প্রতিটি পিসি রিসোর্স (Resource) শেয়ারিং এরক্ষেত্রে সমান ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানে কোন ডেডিকেটেড সার্ভার থাকে না। অর্থাৎ প্রতিটি ওয়ার্ক স্টেশন একই সাথে সার্ভার ক্লায়েন্ট।
৩. ক্যাম্পাসএরিয়ানেটওয়ার্ক (Campus Aria Network- CAN): স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশাসনিকবিল্ডিং, একাডেমিকবিল্ডিং, লাইব্রেরিবিল্ডিং, আবাসিকহলসমূহ, জিমনেসিয়ামএবংঅন্যান্যবিভিন্নস্থাপনারমধ্যেযেনেটওয়ার্কতৈরিকরাহয়তাকেক্যাম্পাসএরিয়ানেটওয়ার্কবলে।
৪. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network- MAN): সাধারণত পাশাপাশি একাধিক ভবনে বা একই এলাকায় একটি মেট্রোপলিটন সীমানার মধ্যে অবস্থিত ভবনের কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
৫. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network- WAN): এটি এমন একটি কম্পিউটার যোগাযোগ ব্যবস্থা যা দূরবর্তী নেটওয়ার্ক, কম্পিউটার, টার্মিনাল ও নেটওয়ার্ক সম্পদ সমূহকে আন্তঃসংযোগ করে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগের সুবিধা পায় তাকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network- PAN),
২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network- LAN),
৩. ক্যাম্পাসএরিয়ানেটওয়ার্ক (Campus Area Network- CAN),
৪. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network- MAN) এবং
৫. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network- WAN)।
১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network- PAN): যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে তাকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে। প্যানের ব্যপ্তি সাধারণত ১০-২০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network- LAN): সাধারণত একই ভবনে বা পাশাপাশি ভবনে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।ল্যানেরব্যপ্তি সাধারণত ১০০-২০০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের ভিত্তিতে Local Area Network- LANকে প্রধানত ২ (দুই) প্রকার। যথা-
ক. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network) এবং
খ. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
ক. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network): এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়। এ
ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি’র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
সার্ভার কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন এপ্লিকেশন চালনা এবং নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। এ মডেলে একটি কম্পিউটারে থাকবে রিসোর্স (যাকে বলে Server কম্পিউটার), আর নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটার (যাকে বলে Client কম্পিউটার) সেসব রিসোর্স ব্যবহার করবে।
খ. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network): এ প্রকারের নেটওয়ার্কে প্রতিটি পিসি রিসোর্স (Resource) শেয়ারিং এরক্ষেত্রে সমান ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানে কোন ডেডিকেটেড সার্ভার থাকে না। অর্থাৎ প্রতিটি ওয়ার্ক স্টেশন একই সাথে সার্ভার ক্লায়েন্ট।
৩. ক্যাম্পাসএরিয়ানেটওয়ার্ক (Campus Aria Network- CAN): স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশাসনিকবিল্ডিং, একাডেমিকবিল্ডিং, লাইব্রেরিবিল্ডিং, আবাসিকহলসমূহ, জিমনেসিয়ামএবংঅন্যান্যবিভিন্নস্থাপনারমধ্যেযেনেটওয়ার্কতৈরিকরাহয়তাকেক্যাম্পাসএরিয়ানেটওয়ার্কবলে।
৪. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network- MAN): সাধারণত পাশাপাশি একাধিক ভবনে বা একই এলাকায় একটি মেট্রোপলিটন সীমানার মধ্যে অবস্থিত ভবনের কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
৫. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network- WAN): এটি এমন একটি কম্পিউটার যোগাযোগ ব্যবস্থা যা দূরবর্তী নেটওয়ার্ক, কম্পিউটার, টার্মিনাল ও নেটওয়ার্ক সম্পদ সমূহকে আন্তঃসংযোগ করে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগের সুবিধা পায় তাকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
Written by
Editorial Team
•
22 Apr, 2026