ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন মাধ্যম (Wireless Communication Medium)
ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন মাধ্যম (Wireless Communication Medium): ডেটা আদানের ক্ষেত্রে কোন প্রকার তার ব্যবহার না করে একাধিক ডিভাইসের মধ্যে তড়িৎ চৌম্বকীয় সংকেত (Electromagnetic Signal) ব্যবহার করে যোগাযোগ করার পদ্ধতিকে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম বলা হয়।
বিভিন্ন প্রকার ওয়ারলেস ট্রান্সমিশন মিডিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হল-
১. রেডিও ওয়েভ (Radio Wave),
২. মাইক্রোওয়েভ (Microwave) এবং
৩. ইনফ্রারেড (Infrared)।
১. রেডিও ওয়েভ (Radio Wave): 10 KHzথেকে 1 GHz মধ্যে সীমিত তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ (ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম) কে বলা হয় রেডিও ওয়েভ। এর তরঙ্গ আকাশের আয়নোস্ফিয়ার স্তরে প্রতিফলিত হয়ে ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে।
২. মাইক্রোওয়েভ (Microwave): মাইক্রোওয়েভ হল হাই-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও ওয়েভ। 300 MHz বা তার চেয়ে বেশি(300 GHz) ফ্রিকোয়েন্সিতে পাঠানো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গকে বলা হয় মাইক্রোওয়েভ।
বৈশিষ্ট্য: মাইক্রোওয়েভ বাঁকা পথে চলাচল করতে পারে না। ফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গ বৃষ্টিতে দুর্বল হয়ে যায়।
মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ দুই ধরনের হতে পারে। যথা-
(i) টেরেস্টোরিয়াল মাইক্রোওয়েভ (Territorial Microwave) এবং
(ii) স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ (Satellite Microwave)
(i) টেরেস্ট্রোরিয়াল মাইক্রোওয়েভ (Territorial Microwave): এই প্রযুক্তিতে ভূ-পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার ও রিসিভার বসানো হয়। তরঙ্গের সিগন্যাল ঠিক রাখার জন্য 10 KM থেকে 100 KM দূরত্বের মধ্যে রিপিটার স্থাপন করতে হয়।
(ii)স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ (Satellite Microwave): এ প্রযুক্তিতে যোগাযোগে স্যাটেলাইটের (উপগ্রহের) সহায়তা নিতে হয়। স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে (36,000 KM) ২২,২৩০ মাইল উপরে জিওসিনক্রোনাস অরবিটে স্থাপিত। স্যাটেলাইটে ট্রান্সমিটার, রিসিভার, শক্তিশালী রিসিভার ট্রান্সমিটার অ্যান্টেনা (VSAT- Very Small Aperture Terminal) সোলার পাওয়ার থাকতে হয়।
গ. ইনফ্রারেড (Infrared): ইনফ্রারেড হল এক ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ/ স্পেকট্রাম যার ফ্রিকোয়েন্সি সীমা300গিগাহার্জ(GHz)থেকে430টেরাহার্জ (THz) হয়ে থাকে। সিগন্যাল ট্রান্সমিট করার কাজটি LED (Light Emitting Diode) বা ILD (Interjection Laser Diode) এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং ফটো ডায়োড সিগন্যাল রিসিভ বা গ্রহণ করে।
বিভিন্ন প্রকার ওয়ারলেস ট্রান্সমিশন মিডিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হল-
১. রেডিও ওয়েভ (Radio Wave),
২. মাইক্রোওয়েভ (Microwave) এবং
৩. ইনফ্রারেড (Infrared)।
১. রেডিও ওয়েভ (Radio Wave): 10 KHzথেকে 1 GHz মধ্যে সীমিত তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ (ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম) কে বলা হয় রেডিও ওয়েভ। এর তরঙ্গ আকাশের আয়নোস্ফিয়ার স্তরে প্রতিফলিত হয়ে ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে।
২. মাইক্রোওয়েভ (Microwave): মাইক্রোওয়েভ হল হাই-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও ওয়েভ। 300 MHz বা তার চেয়ে বেশি(300 GHz) ফ্রিকোয়েন্সিতে পাঠানো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গকে বলা হয় মাইক্রোওয়েভ।
বৈশিষ্ট্য: মাইক্রোওয়েভ বাঁকা পথে চলাচল করতে পারে না। ফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গ বৃষ্টিতে দুর্বল হয়ে যায়।
মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ দুই ধরনের হতে পারে। যথা-
(i) টেরেস্টোরিয়াল মাইক্রোওয়েভ (Territorial Microwave) এবং
(ii) স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ (Satellite Microwave)
(i) টেরেস্ট্রোরিয়াল মাইক্রোওয়েভ (Territorial Microwave): এই প্রযুক্তিতে ভূ-পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার ও রিসিভার বসানো হয়। তরঙ্গের সিগন্যাল ঠিক রাখার জন্য 10 KM থেকে 100 KM দূরত্বের মধ্যে রিপিটার স্থাপন করতে হয়।
(ii)স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ (Satellite Microwave): এ প্রযুক্তিতে যোগাযোগে স্যাটেলাইটের (উপগ্রহের) সহায়তা নিতে হয়। স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে (36,000 KM) ২২,২৩০ মাইল উপরে জিওসিনক্রোনাস অরবিটে স্থাপিত। স্যাটেলাইটে ট্রান্সমিটার, রিসিভার, শক্তিশালী রিসিভার ট্রান্সমিটার অ্যান্টেনা (VSAT- Very Small Aperture Terminal) সোলার পাওয়ার থাকতে হয়।
গ. ইনফ্রারেড (Infrared): ইনফ্রারেড হল এক ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ/ স্পেকট্রাম যার ফ্রিকোয়েন্সি সীমা300গিগাহার্জ(GHz)থেকে430টেরাহার্জ (THz) হয়ে থাকে। সিগন্যাল ট্রান্সমিট করার কাজটি LED (Light Emitting Diode) বা ILD (Interjection Laser Diode) এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং ফটো ডায়োড সিগন্যাল রিসিভ বা গ্রহণ করে।
Written by
Editorial Team
•
06 Mar, 2026