তথ্য প্রযুক্তিতে নৈতিকতা (Ethics in Information Technology)
তথ্য প্রযুক্তিতে নৈতিকতা (Ethics in Information Technology): নৈতিকতা হচ্ছে মানুষের কাজ-কর্ম, আচার-ব্যবহারের সেই মূলনীতি যার উপর ভিত্তি করে মানুষ একটি কাজের ভাল বা মন্দ দিক বিচার বিশ্লেষণ করতে পারে। কি করা উচিৎ, কি করা অনুচিত তা নৈতিকতার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা (Ethics while using Information and Communication Technology): ১৯৯২ সালে ‘Computer Ethics Institute’ কম্পিউটার ইথিকস এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করে। এই দশটি নির্দেশনা হল-
1. অন্যের ক্ষতি করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করো না।
2. অন্যের কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টির জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করো না।
3. অন্যের কম্পিউটারের ডেটার উপর নজরদারই করো না।
4. তথ্য চুরির উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহার করো না।
5. কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য রটানোর কাজে সম্পৃক্ত না হওয়া বা সহযোগিতা না করা।
6. যেসব সফটওয়্যার এর জন্য তুমি অর্থ প্রদান করেনি সেগুলো ব্যবহার বা কপি করো না।
7. অনুমতি ব্যতিরেকে অন্যের কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করো না।
8. অন্যের বুদ্ধিদীপ্ত বা গবেষণালব্ধ ফলাফলকে নিজের মালিকানা বলে দাবি করো না।
9. প্রোগ্রাম লেখার পূর্বে সমাজের উপর তা কি ধরনের প্রভাব ফেলবে সেটি চিন্তা করো।
10. যোগাযোগের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহারের সময় সহকর্মী বা অন্য ব্যবহারকারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও সৌজন্যতা প্রদর্শন করা।
* কম্পিউটার অপরাধ (Computer Crime): কম্পিউটারকে ব্যবহার করে কোন অপরাধ কর্ম সংগঠিত করাকে কম্পিউটার অপরাধ বলে। নিম্নে বিভিন্ন প্রকার অপরাধের উল্লেখ করা হয়।
ক) সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy): কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উন্নয়নকৃত বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ঐ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ব্যতীত নকল করাকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলা হয়। এটি নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য একটি কাজ।
খ) কপিরাইট লঙ্ঘন (Copyright Violation): কপিরাইট হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যার দ্বারা স্রষ্টা বা লেখকের প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত সাহিত্যকর্ম, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, শিল্পকর্ম, সফটওয়্যার বা অন্য কোন কিছু সুরক্ষিত করা হয়। কপিরাইট আইন স্রষ্টার সৃষ্ট কর্মকে তার ইচ্ছেমত পুনরুৎপাদন, পরিমার্জন, বিতরণ, প্রকাশনা এবং প্রকাশের একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রদান করে।
গ) হার্ডওয়্যার চুরি (Hardware Theft): বিভিন্ন কম্পিউটার বা কম্পিউটার নির্ভর যন্ত্রপাতি চুরি করাকে হার্ডওয়্যার চারি বলে। যা অনৈতিক কাজ।
ঘ) ডেটা চুরি (Data Theft): কোন একটি প্রতিষ্ঠানের গোপন অনেক তথ্য প্রকাশিত হয়ে যতে পারে বা এমন কারো হাতে যেতে পারে যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হতে পারে তাকে ডেটা চুরি বলে।
ঙ) প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): যে কোন উৎসের লেখা সংযোজন করা হোক না কেন তাতে মূল লেখক বা মূল কর্মের স্রষ্টার নাম অবশ্যই সংযোগ করা উচিত। এটিই বিধান। এর ব্যতিক্রম হলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অপরাধই হল প্লেজিয়ারিজম।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা (Ethics while using Information and Communication Technology): ১৯৯২ সালে ‘Computer Ethics Institute’ কম্পিউটার ইথিকস এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করে। এই দশটি নির্দেশনা হল-
1. অন্যের ক্ষতি করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করো না।
2. অন্যের কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টির জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করো না।
3. অন্যের কম্পিউটারের ডেটার উপর নজরদারই করো না।
4. তথ্য চুরির উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহার করো না।
5. কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য রটানোর কাজে সম্পৃক্ত না হওয়া বা সহযোগিতা না করা।
6. যেসব সফটওয়্যার এর জন্য তুমি অর্থ প্রদান করেনি সেগুলো ব্যবহার বা কপি করো না।
7. অনুমতি ব্যতিরেকে অন্যের কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করো না।
8. অন্যের বুদ্ধিদীপ্ত বা গবেষণালব্ধ ফলাফলকে নিজের মালিকানা বলে দাবি করো না।
9. প্রোগ্রাম লেখার পূর্বে সমাজের উপর তা কি ধরনের প্রভাব ফেলবে সেটি চিন্তা করো।
10. যোগাযোগের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহারের সময় সহকর্মী বা অন্য ব্যবহারকারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও সৌজন্যতা প্রদর্শন করা।
* কম্পিউটার অপরাধ (Computer Crime): কম্পিউটারকে ব্যবহার করে কোন অপরাধ কর্ম সংগঠিত করাকে কম্পিউটার অপরাধ বলে। নিম্নে বিভিন্ন প্রকার অপরাধের উল্লেখ করা হয়।
ক) সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy): কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উন্নয়নকৃত বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ঐ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ব্যতীত নকল করাকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলা হয়। এটি নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য একটি কাজ।
খ) কপিরাইট লঙ্ঘন (Copyright Violation): কপিরাইট হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যার দ্বারা স্রষ্টা বা লেখকের প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত সাহিত্যকর্ম, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, শিল্পকর্ম, সফটওয়্যার বা অন্য কোন কিছু সুরক্ষিত করা হয়। কপিরাইট আইন স্রষ্টার সৃষ্ট কর্মকে তার ইচ্ছেমত পুনরুৎপাদন, পরিমার্জন, বিতরণ, প্রকাশনা এবং প্রকাশের একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রদান করে।
গ) হার্ডওয়্যার চুরি (Hardware Theft): বিভিন্ন কম্পিউটার বা কম্পিউটার নির্ভর যন্ত্রপাতি চুরি করাকে হার্ডওয়্যার চারি বলে। যা অনৈতিক কাজ।
ঘ) ডেটা চুরি (Data Theft): কোন একটি প্রতিষ্ঠানের গোপন অনেক তথ্য প্রকাশিত হয়ে যতে পারে বা এমন কারো হাতে যেতে পারে যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হতে পারে তাকে ডেটা চুরি বলে।
ঙ) প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): যে কোন উৎসের লেখা সংযোজন করা হোক না কেন তাতে মূল লেখক বা মূল কর্মের স্রষ্টার নাম অবশ্যই সংযোগ করা উচিত। এটিই বিধান। এর ব্যতিক্রম হলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অপরাধই হল প্লেজিয়ারিজম।
Written by
Editorial Team
•
06 Mar, 2026