বায়োমেট্রিক্স (Biometrics)
বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): গ্রীক শব্দ Bio = Life ও Metric = To Measure থেকে উৎপত্তি হয়েছে বায়োমেট্রিক্স (Biometrics)। বায়োমেট্রিক্স হল বায়োলজিক্যাল ডেটা মাপা এবং বিশ্লেষণ করার বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি। তথ্য প্রযুক্তিতে বায়োমেট্রিক্স সেই প্রযুক্তি যা মানুষের দেহের বৈশিষ্ট্য (ডিএনএ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের রেটিনা, আইরিস, কণ্ঠস্বর, চেহারা, হাতের মাপ ইত্যাদি) মেপে এবং বিশ্লেষণ করে বৈধতা নির্ণয় করে।
বায়োমেট্রিক্স এর প্রকারভেদ (Classification of Biometrics): দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
1. মুখ (Face): মুখ বা চেহারার বৈশিষ্ট্য (Facial Characteristics) বিশ্লেষণ করা।
2. ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint): প্রত্যেকের আলাদা একক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হাতের ছাপ বিশ্লেষণ করা।
3. হ্যান্ড জিওমেটরি (Hand Geometry): হাতের গঠন (Shape) এবং আঙ্গুলের দৈর্ঘ্যের মাপ বিশ্লেষণ করা।
4. আইরিস (Iris): চোখের মণির চারিপাশে বেষ্টিত রঙিন বলয় (Colored Ring) বিশ্লেষণ করা।
5. রেটিনা (Retina): চোখের পিছনের অক্ষিপটের (Retina) মাপ বিশ্লেষণ করা।
6. শিরা (Vein): হাত এবং কব্জির শিরার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করা।
খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
1. কণ্ঠস্বর (Voice): প্রত্যেকের কণ্ঠের ধ্বনির বৈশিষ্ট্য, সুরের উচ্চতা, সুরের মূর্ছনা, স্পন্দনের দ্রুততা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা।
2. সিগনেচার (Signature): হাতের সাক্ষর বিশ্লেষণ করা।
3. টাইপিং কি স্ট্রোক (Typing Keystroke): নির্দিষ্ট কোন পাসওয়ার্ড যা টাইপ করে এন্ট্রি করা হয় এবং বিশ্লেষণ করা।
বায়োমেট্রিক্স এর ব্যবহার (Application of Biometrics): বর্তমানে নিরাপত্তার কাজে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ প্রযুক্তি দুই ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়। যথা-
১. কোন ব্যক্তি সনাক্তকরণ (Identification): মানুষের নিজস্ব একক কোন বৈশিষ্ট্যের আলোকে অর্থাৎ বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে কাউকে সনাক্তকরণকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ বলা হয়।
২. সত্যতা যাচাই (Verification): এ পদ্ধতিতে কম্পিউটারে রক্ষিত বায়োলজিক্যাল ডেটার তুলনা করে ভেরিফিকেশন করা হয়।
নিম্নে বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হল:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার (Fingerprint Reader): ইনপুটকৃত ইমেজের অর্থাৎ আঙুলের ছাপের বিশেষ কিছু একক বৈশিষ্ট্যকে ফিল্টার করা হয় এবং এনক্রিপ্টেড বায়োমেট্রিক কি হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। ফিঙ্গারপ্রিন্টের ইমেজকে সংরক্ষণ না করে সংখ্যার সিরিজ (Number Series) কে সংরক্ষণ করা হয়। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সিস্টেমের এ্যালগরিদম এই বাইনারি কোডকে ইমেজে পুনঃরূপান্তর করতে পারে না। তাই কেউ ফিঙ্গার প্রিন্টকে নকল (Duplicate) করতে পারে না।
ফেইস রিকগনিশন (Face Recognition): ফেইস রিকগনিশন পদ্ধতিতে মুখ বা চেহারার বৈশিষ্ট্য (Facial Characteristics) বিশ্লেষণ করে সনাক্তকরণ করা হয়। দুই চোখের মধ্যকার দূরত্ব, নাকের দৈর্ঘ্য বা ব্যাস, চোয়ালের কৌণিক মাপ ইত্যাদি পরিমাপের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সনাক্ত করা যায়।
হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand Geometry): মানুষের হাতের আকৃতি ও জ্যামিতিক গঠনে ভিন্নতা রয়েছে। হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডারের সাহায্যে হাতের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ডেটা কম্পিউটারের ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
আইরিশ এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and Retina Scan): আইরিশ সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে চোখের তারার রঙিন অংশকে পরীক্ষা করা হয় এবং রেটিনা স্ক্যান পদ্ধতিতে চোখের মণিতে রক্তের লেয়ারের পরিমাপ করে মানুষকে সনাক্ত করা হয়।
ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition): এ পদ্ধতিতে কণ্ঠস্বরকে ডেটায় রূপান্তর করে কম্পিউটারের ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ভয়েস ইনপুট নিয়ে আগের সংরক্ষিত ভয়েসের সাথে মিলিয়ে দেখে সনাক্তকরণ করা হয়।
সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature Verification): এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীর হাতের স্বাক্ষরকে পরীক্ষা করে সত্যতা যাচাই করা হয়। এক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের কলম এবং প্যাড ব্যবহার করে স্বাক্ষরের আকার, লেখার গতি, সময় এবং কলমের চাপকে পরীক্ষা করা হয়।
বায়োমেট্রিক্স এর প্রকারভেদ (Classification of Biometrics): দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
1. মুখ (Face): মুখ বা চেহারার বৈশিষ্ট্য (Facial Characteristics) বিশ্লেষণ করা।
2. ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint): প্রত্যেকের আলাদা একক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হাতের ছাপ বিশ্লেষণ করা।
3. হ্যান্ড জিওমেটরি (Hand Geometry): হাতের গঠন (Shape) এবং আঙ্গুলের দৈর্ঘ্যের মাপ বিশ্লেষণ করা।
4. আইরিস (Iris): চোখের মণির চারিপাশে বেষ্টিত রঙিন বলয় (Colored Ring) বিশ্লেষণ করা।
5. রেটিনা (Retina): চোখের পিছনের অক্ষিপটের (Retina) মাপ বিশ্লেষণ করা।
6. শিরা (Vein): হাত এবং কব্জির শিরার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করা।
খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
1. কণ্ঠস্বর (Voice): প্রত্যেকের কণ্ঠের ধ্বনির বৈশিষ্ট্য, সুরের উচ্চতা, সুরের মূর্ছনা, স্পন্দনের দ্রুততা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা।
2. সিগনেচার (Signature): হাতের সাক্ষর বিশ্লেষণ করা।
3. টাইপিং কি স্ট্রোক (Typing Keystroke): নির্দিষ্ট কোন পাসওয়ার্ড যা টাইপ করে এন্ট্রি করা হয় এবং বিশ্লেষণ করা।
বায়োমেট্রিক্স এর ব্যবহার (Application of Biometrics): বর্তমানে নিরাপত্তার কাজে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ প্রযুক্তি দুই ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়। যথা-
১. কোন ব্যক্তি সনাক্তকরণ (Identification): মানুষের নিজস্ব একক কোন বৈশিষ্ট্যের আলোকে অর্থাৎ বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে কাউকে সনাক্তকরণকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ বলা হয়।
২. সত্যতা যাচাই (Verification): এ পদ্ধতিতে কম্পিউটারে রক্ষিত বায়োলজিক্যাল ডেটার তুলনা করে ভেরিফিকেশন করা হয়।
নিম্নে বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হল:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার (Fingerprint Reader): ইনপুটকৃত ইমেজের অর্থাৎ আঙুলের ছাপের বিশেষ কিছু একক বৈশিষ্ট্যকে ফিল্টার করা হয় এবং এনক্রিপ্টেড বায়োমেট্রিক কি হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। ফিঙ্গারপ্রিন্টের ইমেজকে সংরক্ষণ না করে সংখ্যার সিরিজ (Number Series) কে সংরক্ষণ করা হয়। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সিস্টেমের এ্যালগরিদম এই বাইনারি কোডকে ইমেজে পুনঃরূপান্তর করতে পারে না। তাই কেউ ফিঙ্গার প্রিন্টকে নকল (Duplicate) করতে পারে না।
ফেইস রিকগনিশন (Face Recognition): ফেইস রিকগনিশন পদ্ধতিতে মুখ বা চেহারার বৈশিষ্ট্য (Facial Characteristics) বিশ্লেষণ করে সনাক্তকরণ করা হয়। দুই চোখের মধ্যকার দূরত্ব, নাকের দৈর্ঘ্য বা ব্যাস, চোয়ালের কৌণিক মাপ ইত্যাদি পরিমাপের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সনাক্ত করা যায়।
হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand Geometry): মানুষের হাতের আকৃতি ও জ্যামিতিক গঠনে ভিন্নতা রয়েছে। হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডারের সাহায্যে হাতের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ডেটা কম্পিউটারের ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
আইরিশ এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and Retina Scan): আইরিশ সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে চোখের তারার রঙিন অংশকে পরীক্ষা করা হয় এবং রেটিনা স্ক্যান পদ্ধতিতে চোখের মণিতে রক্তের লেয়ারের পরিমাপ করে মানুষকে সনাক্ত করা হয়।
ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition): এ পদ্ধতিতে কণ্ঠস্বরকে ডেটায় রূপান্তর করে কম্পিউটারের ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ভয়েস ইনপুট নিয়ে আগের সংরক্ষিত ভয়েসের সাথে মিলিয়ে দেখে সনাক্তকরণ করা হয়।
সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature Verification): এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীর হাতের স্বাক্ষরকে পরীক্ষা করে সত্যতা যাচাই করা হয়। এক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের কলম এবং প্যাড ব্যবহার করে স্বাক্ষরের আকার, লেখার গতি, সময় এবং কলমের চাপকে পরীক্ষা করা হয়।
Written by
Editorial Team
•
20 Apr, 2026