আউটসোর্সিং/ কর্মসংস্থান (Outsourcing/ Employment)
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের অনলাইন নির্ভর কাজগুলি অন্যান্য দেশের লোকজন দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে। এই ধরণের কাজকে বলা হয় আউটসোর্সিং। অন্যভাবে বলা যায় যে, আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
আউটসোর্সিং এখন একটি শিল্পে পরিণত হয়েছে। আউটসোর্সিং শিল্পকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের শিক্ষিত বিরাট জনগোষ্ঠী এখন অর্থ উপার্জন করতে পারছে। আউটসোর্সিং এখন অনেকেরই পেশা হিসাবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করছে। শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর এক বিরাট অংশ এই শিল্পকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে।
কারো কাছে যদি ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি কম্পিউটার থাকে তাহলে সে যে কোন জায়গাতে বসেই আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করতে পারেন। ওয়েব সাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডেটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে বের করে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরও অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
শিক্ষিত প্রতিবন্ধীদের জন্য আউটসোর্সিং একটি আশীর্বাদ। এ শিল্পে ট্রেনিং এর মাধ্যমে একজন প্রতিবন্ধীও স্বাবলম্বী হতে পারে। বাংলাদেশে এই অনলাইন নির্ভর শিল্পটিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কয়েক কোটি লোক এই শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত হবে। এতে করে বেকারত্ব ঘুচিয়ে দেশ আয় করবে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা, তৈরি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান।
আউটসোর্সিং এখন একটি শিল্পে পরিণত হয়েছে। আউটসোর্সিং শিল্পকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের শিক্ষিত বিরাট জনগোষ্ঠী এখন অর্থ উপার্জন করতে পারছে। আউটসোর্সিং এখন অনেকেরই পেশা হিসাবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করছে। শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর এক বিরাট অংশ এই শিল্পকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে।
কারো কাছে যদি ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি কম্পিউটার থাকে তাহলে সে যে কোন জায়গাতে বসেই আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করতে পারেন। ওয়েব সাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডেটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে বের করে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরও অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
শিক্ষিত প্রতিবন্ধীদের জন্য আউটসোর্সিং একটি আশীর্বাদ। এ শিল্পে ট্রেনিং এর মাধ্যমে একজন প্রতিবন্ধীও স্বাবলম্বী হতে পারে। বাংলাদেশে এই অনলাইন নির্ভর শিল্পটিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কয়েক কোটি লোক এই শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত হবে। এতে করে বেকারত্ব ঘুচিয়ে দেশ আয় করবে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা, তৈরি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান।
Written by
Editorial Team
•
11 Mar, 2026