কমিউনিকেশন গতি কত প্রকার কী কী?
কমিউনিকেশন গতি (Data Transfer Speed): ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. ন্যারোব্যান্ড (Narrowband),
২. ভয়েসব্যান্ড (Voiceband) এবং
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)।
১. ন্যারোব্যান্ড (Narrowband): ন্যারোব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
২. ভয়েসব্যান্ড (Voiceband): ভয়েসব্যান্ডের গতি সাধারণত 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband): এ ব্যান্ডের গতি 1 mbps (মেগাবিট/সেকেন্ড) বা এর চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সাধারণত ডিজিটাল সাবস্ক্রাইবার লাইন বা ডিএসএল, রেডিওলিঙ্ক, অপটিক্যাল ফাইবার, মাইক্রোওয়েভ এবং স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে ডেটা স্থানান্তরে এ ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
১. ন্যারোব্যান্ড (Narrowband),
২. ভয়েসব্যান্ড (Voiceband) এবং
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)।
১. ন্যারোব্যান্ড (Narrowband): ন্যারোব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
২. ভয়েসব্যান্ড (Voiceband): ভয়েসব্যান্ডের গতি সাধারণত 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband): এ ব্যান্ডের গতি 1 mbps (মেগাবিট/সেকেন্ড) বা এর চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সাধারণত ডিজিটাল সাবস্ক্রাইবার লাইন বা ডিএসএল, রেডিওলিঙ্ক, অপটিক্যাল ফাইবার, মাইক্রোওয়েভ এবং স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে ডেটা স্থানান্তরে এ ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
Written by
Editorial Team
•
15 Mar, 2026